আমাদের টেলিগ্রাম গ্রপে যুক্ত হোন এবং সুন্দর সুন্দর বাংলা ক্যাপশন ছবি ও ভিডিও সহ ফ্রিতে দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।🔻
টেলিগ্রাম গ্রুপ লিঙ্ক

কানাডার টাকার মান কত | আজকের কানাডিয়ান ডলার থেকে বাংলাদেশী টাকা রেট

আপনি কি জানতে চান কানাডার টাকার মান কত, তাহলে আজকের কানাডার টাকার রেট বা কানাডার ১ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা জানুন এই ওয়েবসাইটে।

এখানে, আপনি জানতে পারবেন কানাডার মুদ্রার রেট সম্পর্কে যাকে কানাডিয়ান ডলার (CAD) বলা হয় থাকে। এই মুদ্রাটি শুধুমাএ কানাডায় নয় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আজকের এই আর্টিকেলের আপনি জানতে পারবেন কানাডার টাকার নাম কি, কানাডার টাকার মান কত এবং এই মুদ্রাটি কিভাবে এসেছে ইত্যাদি সকল বিষয়।

কানাডার টাকার নাম কি? (কানাডার মুদ্রা)

কানাডার টাকার নাম হলো কানাডিয়ান ডলার (Canadian Dollar), যার প্রতীক হলো $ এবং আন্তর্জাতিক কোড CAD। কানাডিয়ান ডলার কানাডার সরকার এবং ব্যাংক অব কানাডা দ্বারা জারি ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

সাধারণ, ১ কানাডিয়ান ডলার সমান ১০০ সেন্ট হয়। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ও স্থিতিশীল মুদ্রা হিসেবে কানাডিয়ান ডলার পরিচিত। কানাডিয়ান ডলার সাধারনত আন্তর্জাতিক বাজারে CAD নামেই পরিচিত।

কানাডার টাকার মান কত – আজকের CAD থেকে BDT রেট

আজকের ১ কানাডিয়ান ডলার সমান ৮৭.৪১ বাংলাদেশী টাকা এবং কানাডার ১০০ ডলার বাংলাদেশের 8740.85 টাকা

উল্লেখিত, এই কানাডিয়ান ডলার রেট ব্যাংক বা এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে লেনদেনের জন্য নির্ধারিত হয়। সাধারণত স্থানীয় ব্যাংক, মোবাইল ব্যাংকিং ওয়ালেট, এক্সচেঞ্জ হাউজে রেট কিছুটা কম বেশি পরিবর্তন হতে পারে। কারণ, এই সকল প্রতিষ্ঠান কানাডিয়ান ডলারের উপর অতিরিক্ত চার্জ বা মার্জিন যুক্ত করতে পারে।

প্রতিনিয়ত, কানাডিয়ান ডলার রেট পরিবর্তন হতে থাকে। তাই, কানাডায় বসবাসরত প্রবাসীদের অবশ্যই নিয়মিত কানাডার ১ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা সেটি জেনে নেওয়া উচিত।

কানাডার ১ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা? – কানাডার ১ ডলার বাংলাদেশের কত টাকা?

আশা করি ইতিমধ্যে উপড়ে এই উত্তর পেয়ে গেছেন, আজকের রেট অনুযায়ী কানাডার ১ টাকা বা কানাডার ১ ডলার বাংলাদেশের ৮৬.৭৩ টাকা। অর্থাৎ, আপনি যদি কোন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে (ব্যাংক, এক্সচেঞ্জ হাউজ, মোবাইল ব্যাংকিং) লেনদেন করেন তাহলে প্রতি ১ কানাডিয়ান ডলারের বিনিময়ে ৮৭.৪১ বাংলাদেশী টাকা পাবেন

আপনি যদি জানতে চান, কানাডার ১০০ টাকা, ৫০০ টাকা, ১০০০ টাকা, ২০০০ টাকা বা ৩০০০ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা তাহলে আপনি উপরে সবার প্রথমে দেখতে পাবেন একটি টুল আছে এখানে নাম্বার বা সংখ্যা লিখলে আপনি ঐ নির্দিষ্ট নম্বরের কানাডিয়ান ডলার রেট সম্পর্কে জানতে পারবেন। এছাড়াও, নিচে তো টেবিল আকারে দেওয়া আছে।

CAD থেকে BDT – কানাডার টাকার মান কত (আজকের কানাডিয়ান ডলার রেট)

    অনেকেই জানতে চাই কানাডার ১ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা, কানাডার ১০০ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা, কানাডার ৫০০ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা ইত্যাদি। সত্যি কথা হলো কানাডার মুদ্রার নাম ডলার (কানাডিয়ান ডলার) তাই কানাডার ১ টাকা, কানাডার ১০০০ টাকা, কানাডার ৩০০০ টাকা বলা বোকামি। আশা করি আপনি এখন কানাডিয়ান মুদ্রার নাম সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।

    কানাডার মুদ্রার রেট পরিবর্তনের কারণ সমূহ

    কানাডার মুদ্রা (CAD) এর মান অনেক কারণে পরিবর্তন হতে পারে যেমন; বিভিন্ন অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও বৈশ্বিক কারণ। নিচে, বিস্তারিত ভাবে কানাডিয়ান মুদ্রার রেট পরিবর্তনের কারণসমূহ ব্যাখ্যা করা হলো:

    • তেলের দাম পরিবর্তন: কানাডা হলো একটি বড় তেল রপ্তানিকারক দেশ। যদি বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পায় তাহলে কানাডিয়ান ডলারের দাম বৃদ্ধি পায় বা আরো শক্তিশালী হয়, আর কমলে দূর্বল হয়ে।
    • ডলারের (USD) সাথে সম্পর্ক: কানাডিয়ান ডলার (CAD) এবং আমেরিকান ডলার (USD) এর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। যদি মার্কিন ডলারের অবস্থান শক্তিশালী হয় তাহলে কানাডিয়ান ডলারের অবস্থা দুর্বল হতে পারে অথবা এর উল্টোটাও হতে পারে।
    • সুদের হার: যদি ব্যাংক অব কানাডা সুদের হার বৃদ্ধি করে, তাহলে তখন বিদেশী বিনিয়োগকারীরা কানাডায় টাকা বিনিয়োগে আগ্রহী হয়। এর ফলে কানাডিয়ান ডলারের (CAD) চাহিদা বাড়ে ও রেট বৃদ্ধি পায়।
    • কর্মসংস্থান রিপোর্ট: GDP, বেকারত্ব, শিল্প উৎপাদন, রিটেইল সেলস ইত্যাদি রিপোর্ট ভালো এলে কানাডিয়ান মুদ্রার মান বৃদ্ধি পায় এবং খারাপ ফলাফলে কানাডিয়ান মুদ্রার CAD দুর্বল হয়।
    • বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি: বিশ্বব্যাপী অস্থিরতার, যুদ্ধ এবং দেশের মধ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিলে কানাডিয়ান ডলার (CAD) এর উপর তার প্রভাব পড়ে। বিনিয়োগকারীরা তখন ইনভেস্ট করা থেকে বিরত থাকে ফলে মুদ্রার চাহিদা ও মান হ্রাস পায়।
    • বৈদেশিক বাণিজ্য ও চাহিদা: কানাডার পণ্য রপ্তানি ও আমদানির মাত্রা ও ভারসাম্য সরাসরি কানাডিয়ান ডলারের উপর প্রভাব ফেলে। দেশটি বেশি রপ্তানি করতে পারলে দেশের মুদ্রার মান (AED) ও চাহিদা বৃদ্ধি পাবে।

    কানাডার প্রচলিত কাগজের নোট ও কয়েন

    কানাডার প্রচলিত কাগজের নোট ও কয়েন সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

    কানাডায় প্রচলিত কাগজের নোট (Banknotes)

    কানাডিয়ান কাগজের নোটগুলো সাধারণত পলিমার (polymer) দিয়ে তৈরি, যার ফলে এই নোটগুলো বেশি টেকসই ও নিরাপদ। কানাডার কাগজের নোট গুলো হলো:

    • $5 ডলার — নীল রঙের
    • $10 ডলার — বেগুনি রঙের
    • $20 ডলার — সবুজ রঙের
    • $50 ডলার — লাল রঙের
    • $100 ডলার — হলুদ-বাদামি রঙের

    কানাডার এই মুদ্রা গুলোর প্রতিটি নোটে ঐতিহাসিক ব্যক্তি ও কানাডার ঐতিহ্যবাহী চিত্র থাকে এবং নোটে স্বচ্ছ অংশ ও সিকিউরিটি ফিচার থাকে জালিয়াতি রোধে।

    কানাডায় প্রচলিত কয়েন (Coins)

    কানাডিয়ান কয়েনগুলোকে স্থানীয়ভাবে আলাদা নামে ডাকা হয়। কানাডার প্রচলিত কয়েন গুলো হলো:

    • 1 সেন্ট (পেনি) – এখন আর প্রচলিত নয় (২০১২ সালে বন্ধ)
    • 5 সেন্ট – Nickel
    • 10 সেন্ট – Dime
    • 25 সেন্ট – Quarter
    • 50 সেন্ট – কম প্রচলিত
    • $1 ডলার – Loonie (একটি পাখির ছবি থাকে – Loon)
    • $2 ডলার – Toonie (দুই রঙের মেটাল – বাইরের অংশ সিলভার, ভেতরের অংশ গোল্ডেন)

    জেনে রাখুন: কানাডিয়ান কয়েন ও নোটে দুই ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হয়: ইংরেজি ও ফরাসি। বাংলাদেশের টাকায় যেমন; একদিকে বাংলায় এবং অন্যদিকে ইংলিশে লেখা থাকে তেমনি কানাডিয়ান মুদ্রায় ইংরেজি ও ফরাসি ভাষায় লেখা হয়। প্রতিটি মুদ্রায় রাণী এলিজাবেথ II-এর ছবি থাকে (বর্তমানে পরিবর্তনের প্রস্তুতি চলছে)।

    কানাডার মুদ্রার ইতিহাস | কানাডিয়ান ডলার কিভাবে এসেছে?

    কানাডিয়ান ডলার (CAD) — বর্তমানে ব্যবহৃত কানাডার সরকারী মুদ্রা — এর একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে, যা দেশটির ঔপনিবেশিক অতীত, ব্রিটিশ এবং ফরাসি প্রভাব, এবং অর্থনৈতিক বিকাশের সাথে জড়িত।

    ১৭শ থেকে ১৮শ শতকের দিকে কানাডায় ইউরোপীয় উপনিবেশ স্থাপনের সময় লেনদেন হতো মূলত বার্টার সিস্টেমে (যেমন: পশম, মদ, গুলি ইত্যাদি)। ১৬৮৫ সালে ফরাসিরা চালু করে কার্ড মানি। প্লেয়িং কার্ডে মূল্য লিখে তাতে সরকারী অনুমোদন দিত।

    ১৬০০ থেকে ১৮০০ এই যুগে বিভিন্ন দেশের মুদ্রা কানাডায় ব্যবহার হতো। যেমন; এই সময়টাতে ব্রিটিশ, ফরাসি, স্প্যানিশ এমনকি আমেরিকান মুদ্রাও চলতো একসাথে। এই সময়টাতে কানাডায় সবচেয়ে বেশি প্রচলিত ছিল স্প্যানিশ ডলার, যাকে বলা হতো “Pieces of Eight”।

    কানাডার প্রথম ব্যাংক ১৮১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় যার নাম ছিল, Bank of Montreal। ব্যাংকগুলো তাদের নিজস্ব ব্যাংকনোট ইস্যু করত। বিভিন্ন উপনিবেশে (যেমন: আপার কানাডা, লোয়ার কানাডা, নোভা স্কোটিয়া) ছিল ভিন্ন ভিন্ন মুদ্রা।

    কানাডা প্রথম ১৮৫৮ সালে একটি ডেসিমাল ভিত্তিক মুদ্রা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। অর্থাৎ ১০০ সেন্ট ১ ডলার। এই সিস্টেমটি করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের আদলে, ব্রিটিশ পাউন্ড নয়

    সবশেষে কানাডা ১৮৫৮ সালে তাদের নিজস্ব মুদ্রা “Canadian Dollar” চালু করে। ১৮৫৮ সালে কানাডিয়ান মুদ্রা প্রথম মিন্ট (mint) করা হয়।

    ১৮৭১ সালে “Uniform Currency Act” পাস করে একটি জাতীয় মুদ্রা ব্যবস্থার মাধ্যমে সব প্রদেশে এক মুদ্রা চালু হয়: Canadian Dollar (CAD)। ১৯৩৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় Bank of Canada, যা দেশের একমাত্র ব্যাংকনোট ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠান হয়। কানাডা ১৯৭০ সালে স্থায়ীভাবে floating exchange rate-এ চলে যায় — অর্থাৎ ডলারের মান বাজারের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।

    কানাডিয়ান ডলার (CAD) এক্সচেঞ্জ করার নিয়ম

    কানাডিয়ান ডলার (CAD) এক্সচেঞ্জ করার নিয়ম এটি মূলত নির্ভর করে আপনি কোথায় আছেন, কিভাবে আছেন, কী ধরনের মুদ্রা এক্সচেঞ্জ করতে চান সেটির উপর। নিচে ধাপে ধাপে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়েছেঃ

    • সরকারি অনুমদিত ব্যাংকঃ আপনি চাইলে আপনার স্থানীয় ব্যাংক বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে কানাডিয়ান ডলার বিভিন্ন দেশের মুদ্রায় (BDT, USD, EUR, INR) এক্সচেঞ্জ করতে পারবেন। যদিও অন্যদের তুলনায় এক্সচেঞ্জ রেট কিছুটা কম পাওয়া যায়, তবে নিরাপদ।
    • মানি এক্সচেঞ্জ হাউজঃ আপনি যদি চান তাহলে বিভিন্ন অনুমোদিত মানি এক্সচেঞ্জ হাউজ থেকে অনেক সহজে কানাডিয়ান ডলার বিভিন্ন দেশের মুদ্রায় এক্সচেঞ্জ করতে পারবেন। অনেক সময় ব্যাংক এর তুলনায় রেট কিছুটা বেশি দিলেও, ব্যাংক এর তুলনায় রিস্ক বেশি।
    • বিমানবন্দরে মানি এক্সচেঞ্জঃ দেশে এবং বিদেশে বড় ও জনপ্রিয় বিমানবন্দর গুলোতে মানি এক্সচেঞ্জ করার দোকান বা বুথ থাকে, আপনি চাইলে সেগুলোর মাধ্যমে কানাডিয়ান ডলার এক্সচেঞ্জ করতে পারবেন। কিন্ত, দেশ ও সময় অনুযায়ী কিছু লিমিট থাকতে পারে।
    • অনলাইন মানি এক্সচেঞ্জঃ বর্তমানে যে কোন দেশের মুদ্রা এক্সচেঞ্জ করার সবচেয়ে বেশী সহজ উপায় হলো অনলাইন মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ। আপনি যদি চান তাহলে শক্তিশালী পেমেন্ট সিস্টেম (পেওনিয়ার, বাইনেন্স, পেপাল) এর থার্ড পার্টির মাধ্যমে খুব সহজে মুদ্রা এক্সচেঞ্জ করতে পারেন।

    সতর্কতাঃ

    • কানাডিয়ান ডলার এক্সচেঞ্জ করার আগে অবশ্যই অনলাইন থেকে বা নির্দিষ্ট ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে অবশ্যই একবার হলেও কানাডার ১ ডলার বাংলাদেশের কত টাকা জেনে নিবেন।
    • অবশ্যই জনপ্রিয় এবং বিশ্বস্ত প্লাটফর্ম এর মাধ্যমে এক্সচেঞ্জ করার চেষ্টা করবেন।
    • অনলাইনে এক্সচেঞ্জ করলে আগে টাকা হাতে পাবেন তারপর আপনি দিবেন।

    আরো পড়ূনঃ

    শেষ কথা

    এই আর্টিকেলে আজকের কানাডার টাকার মান কত সেই সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আশা করি আর্টিকেলটা আপনার উপকার হবে। খেয়াল রাখবেন, প্রতিনিয়ত কানাডার মুদ্রার মান পরিবর্তন হয়। তাই, আপনাকে নিয়মিত কানাডার মুদ্রার মান সম্পর্কে জানতে হবে, না হলে ছোট খাটো পরিবর্তনে আপনার অনেক টাকা লস হতে পারে।

    আপনার কাছে অনুরোধ, অন্যদের আজকের কানাডার টাকার মান কত সেটি জানার সুযোগ করে দিন। তার জন্য এই আর্টিকেলটা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন এবং আপনার প্রবাসী বন্ধুদের জানাতে সাহায্য করুন।

    রায়হান আহমেদ - আমি একজন বাংলা কনটেন্ট রাইটার, আমি বাংলা ক্যাপশন, স্টাট্যাস, উক্তি ও ইসলামিক বিষয় নিয়ে লেখালেখি করে থাকি। গত ২ বছরের বেশি সময় ধরে আমি বাংলা ভাষায় ক্যাপশন নিয়ে বিভিন্ন বিষয় লেখালেখি করে যাচ্ছি। আমার লক্ষ্য হলো নিয়মিত আপনাদের জন্য বাংলা ভাষায় সুন্দর সুন্দর বাংলা ক্যাপশন ও স্ট্যাটাস উপহার দেওয়া।

    Leave a Comment